MJTC সম্পর্কে

মিয়াসাকো জাপান ট্রেনিং সেন্টার — জাপানে পড়াশোনা, কাজ ও বসবাসের জন্য বাংলাদেশের ওয়ান স্টপ সার্ভিস। আমাদের লক্ষ্য, মূল্যবোধ আর যে ভবিষ্যৎ আমরা একসাথে গড়ছি।

আমাদের নেতৃত্ব

MJTC-র পেছনের মানুষেরা

সর্বোচ্চ পর্যায়ে জাপান–বাংলাদেশ পার্টনারশিপ — দুই দেশের সংস্কৃতি আর অর্থনীতির মাঝে সেতু, লক্ষ্য একটাই।

🇯🇵  জাপান × বাংলাদেশ  🇧🇩
গ্রুপ প্রেসিডেন্ট কেনতারো মিয়াসাকো
গ্রুপ প্রেসিডেন্ট
কেনতারো মিয়াসাকো

জাপানি উদ্যোক্তা, যাঁর স্বপ্ন থেকে MJTC-র জন্ম — বাংলাদেশের মেধাবী তরুণদের জাপানের কর্মবাজারের সাথে যুক্ত করা। জাপান–বাংলাদেশ ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে তাঁর রয়েছে গভীর অভিজ্ঞতা।

প্রতিষ্ঠাতার স্বপ্ন জাপান অপারেশনস দক্ষ জনশক্তি
MJTC পরিচালক, বাংলাদেশ
পরিচালক, বাংলাদেশ
MJTC পরিচালক

বাংলাদেশে MJTC ঢাকার সব কার্যক্রম, শিক্ষার্থী কাউন্সেলিং ও পার্টনারশিপ দেখাশোনা করেন। ভর্তি থেকে জাপানে প্লেসমেন্ট — প্রতিটি শিক্ষার্থীর যাত্রা যেন নির্বিঘ্নে হয়, সেটাই তাঁর দায়িত্ব।

শিক্ষার্থী কাউন্সেলিং ঢাকা অপারেশনস প্লেসমেন্ট
আমাদের শেখানোর পদ্ধতি

আমরা যেভাবে জাপানি শেখাই

দুই দিকের সেরাটা মিলিয়ে আমাদের পদ্ধতি — জাপানি শিক্ষকের কাছে খাঁটি জাপানি, আর দেশি শিক্ষকের কাছে সহজ করে বোঝা।

1

কথা বলার ওপর জোর (CLT পদ্ধতি)

শুধু গ্রামার মুখস্থ নয় — বলা, শোনা, পড়া ও লেখা সমান গুরুত্ব পায়। প্রথম ক্লাস থেকেই শিক্ষার্থীরা জাপানিতে কথা বলা শুরু করে।

2

জাপানি + দেশি শিক্ষক একসাথে

জাপানি শিক্ষক শেখান উচ্চারণ ও কথোপকথন; সার্টিফাইড বাংলাদেশি শিক্ষক গ্রামার বোঝান বাংলায় — যাতে কিছুই কঠিন না লাগে।

3

নিয়মিত মক টেস্ট

কোর্সের শেষে নয়, পুরো কোর্স জুড়েই আসল পরীক্ষার মতো সময় ধরে JLPT/JFT মক টেস্ট। প্রতিটি মক টেস্টের পর ভুলগুলো নিয়ে রিভিউ ক্লাস।

4

ছোট ব্যাচ

ব্যাচে শিক্ষার্থী সংখ্যা সীমিত — তাই প্রত্যেকে আলাদা মনোযোগ পায়, জাপানি শিক্ষকের সাথে কথা বলার সুযোগ পায়, আর প্রত্যেকের অগ্রগতি আলাদাভাবে দেখা হয়।

5

অনলাইন + সরাসরি ক্লাস

সব কোর্স সরাসরি বা অনলাইনে করা যায় — ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীরাও MJTC-র শিক্ষক ও ম্যাটেরিয়াল পাবেন, ঢাকায় না এসেই।

6

অগ্রগতি যাচাই ও কাউন্সেলিং

নিয়মিত মূল্যায়নে দুর্বল জায়গাগুলো আগেই ধরা পড়ে। প্রতিটি ধাপে শিক্ষার্থী পায় ওয়ান-টু-ওয়ান ফিডব্যাক ও নতুন পড়ার পরিকল্পনা।

আমরা যা করি

আমাদের সেবার ৬টি স্তম্ভ

MJTC-র প্রতিটি প্রোগ্রাম ও সেবা গড়ে উঠেছে শিক্ষার্থীদের প্রতি এই ৬টি অঙ্গীকার ঘিরে।

ভাষা শিক্ষা

JLPT N5, N4, N3 ও JFT A2 কোর্স — গোছানো সিলেবাস, জাপানি শিক্ষক, আর N5 থেকে N3 পর্যন্ত পুরো JLPT প্রস্তুতি প্রোগ্রাম।

জাপানে উচ্চশিক্ষা

সম্পূর্ণ স্টাডি ইন জাপান প্রোগ্রাম — ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল, সেনমন গাক্কো, অনার্স ও মাস্টার্সে ভর্তি, SOP লেখা, ভিসা গাইডলাইন ও স্কলারশিপ সহায়তা।

ওয়ার্ক ভিসা প্রোগ্রাম

৮টি সেক্টরে SSW ও TITP প্রোগ্রাম: কেয়ারগিভিং, ফুড সার্ভিস, কৃষি, নির্মাণ, ম্যানুফ্যাকচারিং, হসপিটালিটি, মৎস্য ও পরিবহন খাত।

সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ

জাপানের অফিসের আদবকায়দা, সামাজিক রীতিনীতি ও চলাফেরার নিয়ম — সব কোর্সের ভেতরেই শেখানো হয়, যাতে জাপানে পৌঁছেই সব চেনা লাগে।

স্কিল ডেভেলপমেন্ট

জাপানের কঠোর কর্মসংস্কৃতির জন্য সফট স্কিল ট্রেনিং — নেতৃত্ব, কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ, টিমওয়ার্ক, সময় ব্যবস্থাপনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা।

ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও সহায়তা

নিয়মিত ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, ইন্টার্নশিপ প্লেসমেন্ট, পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনে সাহায্য এবং অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ — প্রতিটি ধাপে শিক্ষার্থীর পাশে।

শিক্ষার্থী ও পরিবারের জন্য

অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ

জাপানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পুরো পরিবারের সিদ্ধান্ত — MJTC এটা বোঝে। তাই ভর্তি, ব্যাচের অগ্রগতি, পরীক্ষার ফলাফল, প্লেসমেন্ট — প্রতিটি ধাপে আমরা অভিভাবকদের জানিয়ে রাখি।

  • পরিবারের কাছে নিয়মিত প্রোগ্রেস রিপোর্ট
  • চাইলে অভিভাবকদের জন্য আলাদা কাউন্সেলিং
  • স্বচ্ছ ফি — কোনো লুকানো খরচ নেই
  • যোগ্য শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ ও আর্থিক পরামর্শ
  • জাপানে যাওয়ার আগে পরিবারসহ ব্রিফিং
নিয়ম-শৃঙ্খলা

শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা

জাপানের কর্মসংস্কৃতিতে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা ও সম্মান খুব গুরুত্বপূর্ণ। MJTC-র ক্লাসরুমেও তাই একই নিয়ম।

  • সময়মতো ক্লাসে আসা — ন্যূনতম ৮০% উপস্থিতি
  • শিক্ষক ও সহপাঠীদের প্রতি সম্মান
  • অ্যাসাইনমেন্ট ও মক টেস্টে সততা
  • ক্লাস চলাকালীন ফোন সাইলেন্ট রাখা
  • বলা ও শোনার অনুশীলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

আমরা কোথায় যেতে চাই

MJTC এমন একটা ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, যেখানে জাপানি ভাষার দক্ষতাই হবে বাংলাদেশের তরুণদের বেকারত্ব থেকে বেরিয়ে আসার সহজ ও নিশ্চিত পথ।

01

তরুণদের বেকারত্ব কমানো

১৮–৩৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণদের জন্য জাপানে চাকরি ও পড়াশোনার সরাসরি পথ তৈরি করা — বিশেষ করে যেসব সেক্টরে জাপানে কর্মী সংকট নিশ্চিত।

02

জাপানের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চলা

জাপানের SSW সেক্টর ও ইমিগ্রেশন নীতি বদলালে সাথে সাথে আমাদের সিলেবাসও আপডেট হয় — যাতে আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা সবসময় বাজারের জন্য প্রস্তুত থাকে।

03

স্কলারশিপের সুযোগ বাড়ানো

জাপানি ইউনিভার্সিটি, সরকারি সংস্থা ও প্রাইভেট স্পনসরদের সাথে পার্টনারশিপ করে স্কলারশিপ সরাসরি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া — পরিবারের আয় যেমনই হোক, জাপান যেন সবার নাগালে থাকে।

04

উদ্যোক্তা তৈরি করা

জাপান থেকে ফিরে আসা গ্র্যাজুয়েটরা যেন সেখানে শেখা দক্ষতা, পুঁজি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশে নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে — সেই সহায়তা দেওয়া।

05

নারীদের জন্য বাড়তি সুযোগ

নারীদের জন্য স্কলারশিপ, সুবিধামতো ক্লাসের সময় ও আলাদা প্লেসমেন্ট সহায়তা — লক্ষ্য, তিন বছরের মধ্যে জাপানে নারী শিক্ষার্থী ভর্তি ও প্লেসমেন্ট দ্বিগুণ করা।

06

ঢাকার বাইরে শাখা

চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে নতুন শাখা খোলা — যাতে সারা দেশের মেধাবী তরুণরা জাপান-কেন্দ্রিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।

জাপানি শিখুন, স্কিল গড়ুন, জাপানে গড়ুন আপনার ভবিষ্যৎ।

ফ্রি কাউন্সেলিং সেশন বুক করুন — কোনো চাপ নেই। আপনার জাপান-স্বপ্ন নিয়ে খোলামেলা আলাপ, আর আপনার জন্য কোন MJTC প্রোগ্রামটি সঠিক — সেটাই জানবেন।

Scroll to Top